শুক্রবার । ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২
রমজানের বাজার চিত্র

খুলনাঞ্চলে খাসির মাংস ১২৫০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের যাত্রা শুরুতেই রমজানের বাজার সেই ধারাবাহিকতার আলোকে মূল্য একধাপ বেড়েছে। বেগুন, কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি গড়ে ২০ টাকা বেড়েছে। ক্ষিরইয়ের দাম দু’দিনের ব্যবধানে ৮০ টাকার স্থলে ১৩০ টাকায় উঠেছে। খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকা। এ চিত্র যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনার ১০টি বাজারের। অর্থনীতির তত্ত্ব পাল্টে গেছে। সরবরাহ বেশি, দামও বেশি।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সভা কক্ষে বুধবার দ্রব্য মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য প্রকাশ পায়। এ সভায় চার জেলার বাজার দরের ওপর তথ্য তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে বাজার নিয়ন্ত্রণে কেসিসি’র পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিদপ্তর মনিটরিং করছে। কর্পোরেশনের সভায় প্রশাসক মোঃ মোক্তার আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। সভায় উল্লিখিত তিন জেলার পাশাপাশি নগরীর ফুলবাড়ি গেট, দৌলতপুর, খালিশপুর, নতুন বাজার, কেডিএ নিউমার্কেট, শেখপাড়া, ময়লাপোতাস্থ সান্ধ্য বাজারে রমজানের বাজারের চিত্র তুলে ধরা হয়।

বলা হয় যশোরে খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ২৫০ টাকা, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ১৭ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট অনুযায়ী নগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গরুর মাংস ৭৪০ টাকার পরিবর্তে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ টাকার পরিবর্তে ১৯৫ টাকা, লেয়ার ২৯০ টাকার পরিবর্তে ৩১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪৮০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। কেসিসি’র বাজার মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী কাঁচা মরিচ ১০০ টাকার পরিবর্তে ১১০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা, ক্ষিরই ৮০ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বড় বাজার মোড়ে বেগুন কেজি প্রতি ৬০ টাকা, ক্ষিরই ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

কেসিসি পাইকারি কাঁচা বাজার আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলামের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০টি পণ্যের দাম বেড়েছে। বাজারে কাঁচা মালের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের প্রতিবেদন অনুযায়ি ৭ টি পণ্যের দাম বেড়েছে, ২টির দাম হ্রাস পেয়েছে ও অন্য ১৮টির মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন, নতুন গোল আলু প্রতিকেজি ২০-২২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জানুয়ারি মাসে সয়াবিনের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কে নতুন আলু ৭ কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ রমজানের বাজার দর সম্পর্কে বলেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রতিদিন মনিটরিং করবে। ভোজাল, মজুদদারি ও মূল্য বৃদ্ধি করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজওয়ানুর রশিদ বৃহস্পতিবার নিরালা ও বড় বাজার এলাকায় মনিটরিং করেন। প্রত্যেক উপজেলায় মনিটরিং শুরু হয়েছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন